মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১, ০৯:৫১ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
বিশ্বনাথে আ’লীগের পৌর ইউনিয়ন কমিটিতে স্থান পাননি সদ্য বিলুপ্ত কমিটির ৩৯ নেতা স্থান হয়েছে বিএনপি নেতা  জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন হলেন বিশ্বনাথের ড. রইছ উদ্দিন  বিশ্বনাথে খাজাঞ্চী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রীতিগঞ্জ বাজারে নির্মাণের দাবি বিশ্বনাথে আমন ধানের বাম্পার ফলন বিশ্বনাথে অসুস্থ আল- ইসলাহ’র মহাসচিবের পাশে আর-রাহমান ট্রাস্টের সভাপতি উৎসব মূখর পরিবেশে চৌহালীতে ৩৫৫ জনের মনোনয়ন পত্র দাখিল বিশ্বনাথে মাঠে মাঠে শীতকালীন সবজি বিশ্বনাথে পুত্রবধূর নির্যাতনে প্রতিবন্ধী ননদ শাশুড়ীসহ আহত- ২ বিশ্বনাথে সম্পত্তি দখলে প্রবাসীকে হত্যার চেষ্টা অবশেষে সিলেটে পরিবহন ধর্মঘট স্থগিত

চৌহালীতে প্রকৌশলীর উপস্থিতিতে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী দিয়ে  ব্রিজ ঢালাই 

চৌহালী প্রতিনিধি :
সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার বিনানই পূর্বপাড়া মরা নদীতে ৫২ মিটার একটি ব্রিজের ঢালাই কাজে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। ৯ নভেম্বর মঙ্গলবার বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ঢালাই কাজের জন্য ব্যবহার হচ্ছে মাটি মিশ্রিত  নিম্নমানের পাথর ও লাল বালুর পরিবর্তে  স্থানীয় সাধারণ সাদা বালু। এসময় স্থানীয় ইমন ইসলাম মজিদ সহ অনেকেই অভিযোগ করে বলেন  আজ সকাল থেকে উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) সাখাওয়াত হোসেনের উপস্থিতিতে  এই নিম্নমাণের নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে ৫০’শতাংশ  ঢালাই কাজ শেষ হয়েছে।
তিনি আরও বলেন ব্রিজ নির্মাণে যেমন ঠিকাদারের গাফিলতি রয়েছে সেই সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের তদারকিরও চরম অভাব রয়েছে। এ কারণে দীর্ঘ কয়েক বছর সময় চলে গেলেও সেতুটির নির্মাণ কাজ এখনো শেষ হয়নি। এছাড়া অপরিকল্পিতভাবে সেতুটির স্ট্রাকচার নির্মাণ করায় বর্ষায় নৌকা চলাচলে মারাত্মক বাধার সৃষ্টি হবে।
জানা যায় ২০১৭ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অধীনে আরসিসি গার্ডার ব্রিজটি নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন তৎকালীন সংসদ সদস্য আলহাজ আব্দুল মজিদ মণ্ডল। ব্রিজটির বরাদ্দ দেয়া হয় ২ কোটি ২৩ লাখ টাকা। বছরের পর বছর চলে গেলেও ব্রিজটির নির্মাণকাজ চলে ধীর গতিতে। ব্রিজটির দ্রুত নির্মাণকাজ শেষ করার দাবিতে স্থানীয় বাসিন্দারা মানববন্ধন করেছিলো বলে জানা গেছে। ব্রিজটির দ্রুত নির্মাণকাজ শেষ করার কথা থাকলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স জনতা এন্টারপ্রাইজ তা ৫ বছরে নিয়ে এসেছে।
চৌহালী উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রকৌশলী মোঃ শাখাওয়াত হোসেন’র কাছে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রীর ব্যপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন এগুলো পাথরের ডাস্ট, আগামীকাল থেকে পাথর চেলে দেয়া হবে। আর বালুর ব্যাপারে বলেন এগুলোকে স্থানীয় বালু বললে আমি মেনে নেব না তবে এই বালুতে এফএম (মোটা) কম আছে।
সিরাজগঞ্জ নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মিজানুর রহমানের সাথে মুঠোফোনে বার বার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মোবাইল রিসিভ করেননি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

© All rights reserved