মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২, ০৪:৩৪ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
চৌহালীর আ’লীগ নেত্রীর দিন কাটে না খেয়ে খোলা ছাপড়ায় বর্ধিত যুব সমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে আউটসোসিংয়ের বিকল্প নেই-কবির বিন আনোয়ার বিশ্বনাথে প্রয়াত হাজী তেরা মিয়া স্মরণে ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত নির্বাচিত হলে সম্মানী ভাতা এতিমদের মাঝে বন্ঠনের ঘোষণা দিলেন আরশ আলী গণি আমার ‘স্বামী কোথায় আছে, জানার অধিকারও কি নেই’ বিশ্বনাথে উপজেলা ও পৌর বিএনপি’র দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন সম্পন্ন বিশ্বনাথে দলিল জালিয়াতি মামলায় প্রবাসী ছইল মিয়া কারাগারে বিশ্বনাথে দরিদ্র মানুষের মধ্যে প্রবাসী পরিবারের শীত বস্ত্র ও খাদ্য বিতরণ বিশ্বনাথে আতাপুর সমবায় সমিতির আত্মপ্রকাশ সচেতন ছাত্র সমাজ CSS এর কমিটি গঠন

বিশ্বনাথে আমন ধানের বাম্পার ফলন

মো. আবুল কাশেম, বিশ্বনাথ প্রতিনিধি : সিলেটের বিশ্বনাথে  উপজেলার বিভিন্ন এলাকা জুড়ে আমন ধানের বাম্পার ফলনে কৃষক ও কৃষাণীর মুখে হাসির ঝলকানি দেখা যাচ্ছে।

উপজেলার প্রায় সব এলাকার ধানী জমি জুড়ে সোনালী ফসলের ঝলকানির দৃশ্য এখন চোখে পড়ার মতো।

বিকালে হালকা বাতাস,সকালে শিশির ভেজায় দুলছে শীষ। কৃষক আর কৃষাণী সোনালী স্বপ্নে বিভোর।

আনন্দের ঢেউ আছড়ে পড়েছে গ্রামের প্রতিটি কৃষকের মাঠের সোনালী ধানের ঝলকানির দৃশ্য দেখে।

উপজেলার অনেক এলাকায় আগাম ধান কাটা শুরু হলেও পুরোপুরি ধান কাটার মহোৎসব নামের নবান্ন উৎসব শুরু হতে কিছুটা দেরি হচ্ছে।

কারণ শ্রমিক সংকট। তারপরেও এই শ্রমিক সংকটকে উপেক্ষা করে পরিবার পরিজন নিয়ে ব্যস্ততম সময় পার করছেন এলাকার সর্বস্তরের কৃষক ও কৃষাণী। ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাঠে মাঠে ফসল কাটার চিরাচরিত এমন দৃশ্য দেখে পুলকিত সবাই।

কৃষকরা ধান কেটে বাড়ীর আঙিনায় জড়ো করে মেশিন দিয়ে মাড়াই কাজ সম্পন্ন করছেন। মাড়াই শেষে আবার বাতাসে ধান উড়িয়ে শুকানোর কাজ শেষ করে গোলায় তোলায় ব্যস্ত।

এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় গোটা উপজেলায় রোপা আমনের ফলন ও পাশাপাশি রোগ বালাই দমন করে বাম্পার ফলন হয়েছে এবং বিঘা প্রতি ১২-১৫ মণ ধান পাবেন বলে জানান স্থানীয় কৃষকরা।

ধানের বর্তমান বাজারমূল্য ৭০০-৭৫০ টাকা। তবে ধানের বর্তমান বাজারমূল্যের তুলনায় আরেকটি বাড়িয়ে সরকারি উদ্যোগে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ন্যায্যমূল্যে ধান ক্রয়ের দাবী জানিয়েছেন কৃষকরা।

এ বিষয়ে সরেজমিনে উপজেলার কয়কটি এলাকার মাঠ পর্যায়ে ঘুরে কৃষক খায়রুল ইসলাম দলা জানান, এ বছর ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে ঠিক কিন্তু খরচও অন্য বছরের তুলনায় অনেকাংশ বেড়েছে। এমতাবস্থায় ন্যায্য মূল্যে সরকারী খাদ্য গুদামে ধান বিক্রি করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

কৃষক আব্দুল কদ্দুস জানান, এ মৌসুমে বাম্পার ফলন হলেও পড়েছি ধান কাটার শ্রমিক নিয়ে মহা দুঃশ্চিন্তায়।কারন শ্রমিক মিললেও দৈনিক গুনতে হচ্ছে অনেক টাকা।ফলে পরিবার পরিজন নিয়ে ধান কেটে ঘরে তুলতে হিমশিম খেতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত।

উপজেলা কৃষি অফিস ও উপজেলা সরকারী খাদ্য গোদাম কর্তৃপক্ষ উপজেলায় এ বছরও আমনের বাম্পার ফলন হওয়ায় সরকারিভাবে কৃষকদের কাছ থেকে ন্যায্যমূল্যে ধান ক্রয় করবে বলে প্রত্যন্ত অঞ্চলে মাইকিং করে জানিয়েছে। তার পাশাপাশি এ বছরও বোরো আবাদের জন্য উপজেলার সকল ইউনিয়নে প্রকৃত চাষীদের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরন করা হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

© All rights reserved