মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২, ০৪:৫১ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
চৌহালীর আ’লীগ নেত্রীর দিন কাটে না খেয়ে খোলা ছাপড়ায় বর্ধিত যুব সমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে আউটসোসিংয়ের বিকল্প নেই-কবির বিন আনোয়ার বিশ্বনাথে প্রয়াত হাজী তেরা মিয়া স্মরণে ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত নির্বাচিত হলে সম্মানী ভাতা এতিমদের মাঝে বন্ঠনের ঘোষণা দিলেন আরশ আলী গণি আমার ‘স্বামী কোথায় আছে, জানার অধিকারও কি নেই’ বিশ্বনাথে উপজেলা ও পৌর বিএনপি’র দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন সম্পন্ন বিশ্বনাথে দলিল জালিয়াতি মামলায় প্রবাসী ছইল মিয়া কারাগারে বিশ্বনাথে দরিদ্র মানুষের মধ্যে প্রবাসী পরিবারের শীত বস্ত্র ও খাদ্য বিতরণ বিশ্বনাথে আতাপুর সমবায় সমিতির আত্মপ্রকাশ সচেতন ছাত্র সমাজ CSS এর কমিটি গঠন

বিশ্বনাথে ওসি তদন্তসহ ২ এসআই’র বিরুদ্ধে অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেটের বিশ্বনাথ থানার ওসি তদন্ত রমা প্রশাদ চক্রবর্তীসহ তিন পুলিশের বিরুদ্ধে সিলেট জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিনের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক ইলিয়াস আলী।
এমন অভিযোগ এনে গত রোববার (২৬ ডিসেম্বর) পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
ইলিয়াস আলী সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার পূর্ব মকসেদপুরের মৃত ইসলাম উদ্দিনের ছেলে ইলিয়াস আলী (২৮)। অভিযুক্ত বাকি দুইজন বিশ্বনাথ থানার এসআই অরুপ সাগর ও এসআই জয়ন্ত।
তবে, এবিষয়টা জানেন না জানিয়ে ওসি রমা প্রসাদ সাংবাদিকদের বলেন, যে কেউ আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিতে পারে। অভিযোগটি আমার উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা তদন্ত করে দেখবেন বলে তিনি জানান।
একইভাবে বিষয়টি জানেন না জানিয়ে এসআই জয়ন্ত সাংবাদিকদের জানান, গত এক সপ্তাহ আমি ছুটি কাটিয়ে গত ২৪ ডিসেম্বর শনিবার রাতে ডিউটিতে যোগ দেই।
তবে, এসআই অরুপ সাগর সাংবাদিকদের জানান, আমার বিরুদ্ধে অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট বলে তিনি দাবি করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক ইলিয়াস আলী দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বনাথের শ্রমিক নেতা জুনাব আলীর বাসায় ভাড়া থাকেন।
ইয়াবা দিয়ে ফাঁসাতে শ্রমিক নেতার নাম না বলায় পুলিশ তাকে গত ২৩ ডিসেম্বর রাত ২টায় এসআই অরুপ সাগর ও এসআই জয়ন্ত বাসায় গিয়ে হাতকড়া লাগিয়ে মারধর শুরু করেন।
এমনকি স্ত্রী ববিতা ও ১০ মাসের শিশুর উপরও আঘাত করে পুলিশ। এরপর ইলিয়াসকে নিয়ে থানায় এসেও মারধর করেন তারা।
শ্রমিক নেতার নাম বলতে মারধরের পাশাপাশি নানা ভয়ভীতিও দেন তারা। অবশেষে পঞ্চাশ হাজার টাকার বিনিময়ে পরদিন বিকেলে ইলিয়াসকে ছেড়ে দেয়া হয় থানা পুলিশ।
ছাড়া পেয়ে বাসায় গিয়ে স্ত্রী ও শিশু সন্তানকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা শেষে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে গিয়ে নিজে চিকিৎসা নেন ইলিয়াস।
আরও জানা গেছে, গত ১২ ডিসেম্বর বিকেলে ইলিয়াসকে মোবাইল ফোনে রামপাশা বাজারে ডেকে নেন এসআই অরূপ সাগর। এসময় এসআই অরূপ সাগরের কথায় তিনি সরল বিশ্বাসে ব্যবসায়ী আলমগীরের দোকান দেখিয়ে দেন।
ওই দোকানে অভিযান চালিয়ে অনেক ইয়াবা উদ্ধারের পর ব্যবসায়ী আলমগীরের হাতে হাতকড়া লাগায় পুলিশ। তখন স্থানীয় লোকজন সমবেত হলে আ’লীগ নেতৃবৃন্দের সুপারিশে ও টাকার বিনিময়ে পুলিশ আসামিকে ছেড়ে চলে যায়।
এ ব্যাপারে কথা হলে বিশ্বনাথ থানার অফিসার  ইন-চার্জ (ওসি) গাজী আতাউর রহমান বলেন, এবিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না বলে তিনি জানান।

সংবাদটি শেয়ার করুন

© All rights reserved