মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১, ০৯:৪১ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
বিশ্বনাথে আ’লীগের পৌর ইউনিয়ন কমিটিতে স্থান পাননি সদ্য বিলুপ্ত কমিটির ৩৯ নেতা স্থান হয়েছে বিএনপি নেতা  জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন হলেন বিশ্বনাথের ড. রইছ উদ্দিন  বিশ্বনাথে খাজাঞ্চী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রীতিগঞ্জ বাজারে নির্মাণের দাবি বিশ্বনাথে আমন ধানের বাম্পার ফলন বিশ্বনাথে অসুস্থ আল- ইসলাহ’র মহাসচিবের পাশে আর-রাহমান ট্রাস্টের সভাপতি উৎসব মূখর পরিবেশে চৌহালীতে ৩৫৫ জনের মনোনয়ন পত্র দাখিল বিশ্বনাথে মাঠে মাঠে শীতকালীন সবজি বিশ্বনাথে পুত্রবধূর নির্যাতনে প্রতিবন্ধী ননদ শাশুড়ীসহ আহত- ২ বিশ্বনাথে সম্পত্তি দখলে প্রবাসীকে হত্যার চেষ্টা অবশেষে সিলেটে পরিবহন ধর্মঘট স্থগিত

ব্যস্ততা বেড়েছে নৌকা কারিগরদের

বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় আষাঢ় মাস থেকে আশ্বিন মাস পর্যন্ত নৌকা বিক্রির ধুম পড়ে যায়। সদর উপজেলার কড়াপুর এবং নভগ্রাম রোড সড়কের পাশের বিভিন্ন খালে নৌকা বিক্রি হয়।

স্বরুপকাঠীর আটঘর, কুড়িয়ানা, ইন্দেরহাট ও মিয়ার হাটে নতুন তৈরি ছোট নৌকা বিক্রির হাট বসতে শুরু করেছে। বিভিন্ন ধরনের নৌকা বেচাকেনা এরই মধ্যে জমজমাট হয়ে উঠে। সর্বত্রই নৌকার কদর বেড়ে যাওয়ায় নৌকা তৈরির কারিগরদের এখন ব্যস্ততার কোনো শেষ নেই।

বরিশালের খাল-বিল, নদী-নালা বেষ্টিত এলাকা উজিরপুর, বানারীপাড়া ও আগৈলঝাড়ারর সাতলার বিভিন্ন ইউপির চলাচল ও ব্যবসা বাণিজ্যের একমাত্র বাহক নৌকা।

কৃষকদের কাছ থেকে ক্রয় করা সবজি, ধান কাটা, বাগান থেকে পেঁয়ারাসহ, বিভিন্ন জাতের ফসল সংগ্রহ এবং বাজারজাত করার কাজে এই বিল অঞ্চলে নৌকার বিকল্প নেই। আর এ বাড়তি চাহিদার যোগান দিতে নৌকা তৈরির কারিগররা দিন রাত শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন।

বর্তমানে কাঠসহ নৌকা তৈরির উপকরণের অতিরিক্ত দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে নৌকা তৈরিতে খরচও বেড়েছে। তবে সে তুলনায় হাট-বাজারগুলোতে ক্রেতাদের কাছে নৌকার দাম বাড়েনি বলে জানান কারিগররা।

নিজস্ব পুঁজি না থাকার কারণে দাদন ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অগ্রীম টাকা নিয়ে উপকরণ কিনতে হয়। যে কারণে তারা তেমন দাম পায় না। দক্ষিণাঞ্চলের বৃহত্তম নৌকারহাট স্বরুপকাঠীর আটঘরসহ আশপাশের বিভিন্ন নৌকা বিক্রির হাটগুলো এখন ক্রেতা বিক্রেতা সমাগমে সরগরম হয়ে উঠেছে।

বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই প্রতি বছরের ন্যায় বরিশালের উজিরপুর, আগৈলঝাড়ার, পিরোজপুরের স্বরুপকাঠী ও ঝালকাঠীসহ দক্ষিণাঞ্চলের নদী-নালা খালবিল বেষ্টিত এলাকায় নৌকার কদর বেড়ে গেছে। এতে নৌকা নির্ভর এলাকাগুলোতে প্রচুর নৌকার চাহিদা বেড়েছে।

আর এ বাড়তি চাহিদার যোগান দিতে জেলার নৌকা তৈরির কারিগররা দিন রাত শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু কাঠ, লোহাসহ নৌকা তৈরির উপকরণের দাম বাড়লেও সে তুলনায় বাড়েনি নৌকার দাম।

তাছাড়া কারিগরদের নিজস্ব পূুঁজি না থাকায় দাদন ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অগ্রিম টাকা নিয়ে উপকরণ কিনতে হয়। যে কারণে তারা কষ্টের তেমন দাম পায় না। তবুও তারা প্রতি হাটে তৈরি করা নৌকা নিয়ে হজির হয়। দক্ষিণাঞ্চলের বৃহত্তম নৌকারহাট আটঘর কুড়িয়ানাসহ আসপাশের বিভিন্ন নৌকা বিক্রির হাটগুলো এখন ক্রেতা বিক্রেতা সমাগমে সরগরম হয়ে উঠেছে।

প্রায় দু’শ বছরের পুরানো বরিশাল ও ঝালকাঠির সীমান্তবর্তী আটঘর নৌকা কেনা বেচার হাটে বিক্রির জন্য জেলা বিভিন্ন স্থান থেকে কারিগর এবং মৌসুমী ব্যবসায়ীরা নৌকা নিয়ে আসে ইঞ্জিনচালিত ট্রলার ও গাড়িতে করে। এখান থেকে এসব নৌকা যাচ্ছে বৃহত্তর বরিশাল এবং ফরিদপুরের প্রত্যন্ত অঞ্চলে। প্রতি মৌসুমে এ হাটে দেড়-দুই কোটি টাকার নৌকা বিক্রি হয় বলে ব্যবসায়ীরা জানান।

সংবাদটি শেয়ার করুন

© All rights reserved