মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১, ১০:১৪ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
বিশ্বনাথে আ’লীগের পৌর ইউনিয়ন কমিটিতে স্থান পাননি সদ্য বিলুপ্ত কমিটির ৩৯ নেতা স্থান হয়েছে বিএনপি নেতা  জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন হলেন বিশ্বনাথের ড. রইছ উদ্দিন  বিশ্বনাথে খাজাঞ্চী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রীতিগঞ্জ বাজারে নির্মাণের দাবি বিশ্বনাথে আমন ধানের বাম্পার ফলন বিশ্বনাথে অসুস্থ আল- ইসলাহ’র মহাসচিবের পাশে আর-রাহমান ট্রাস্টের সভাপতি উৎসব মূখর পরিবেশে চৌহালীতে ৩৫৫ জনের মনোনয়ন পত্র দাখিল বিশ্বনাথে মাঠে মাঠে শীতকালীন সবজি বিশ্বনাথে পুত্রবধূর নির্যাতনে প্রতিবন্ধী ননদ শাশুড়ীসহ আহত- ২ বিশ্বনাথে সম্পত্তি দখলে প্রবাসীকে হত্যার চেষ্টা অবশেষে সিলেটে পরিবহন ধর্মঘট স্থগিত

স্ত্রীর সম্মতি ছাড়া যৌন সম্পর্ককে ধর্ষণের সামিল বলে গন্য করা হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

 

 

স্ত্রীর সম্মতি ছাড়া কোনো স্বামী যদি যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে তাহলে সেটাকে ‘বৈবাহিক ধর্ষণ, অর্থাৎ ‘ম্যারিটাল রেপ’ হিসেবে গণ্য করে আইন সংশোধনে সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি লিগ্যাল (আইনি) নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

রোববার (১ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. জাহিদ চৌধুরী জনি এই নোটিশ পাঠান। দেশে আইনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

লিগ্যাল নোটিশে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ ল কমিশনের চেয়ারম্যান, ন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস কমিশন অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান, মহিলা ও শিশু বিষয়ক অধিদফতরের ডিজি এবং সমাজসেবা অধিদফতরের ডিজিকে বিবাদী করা হয়েছে।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশের প্রচলিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং দণ্ডবিধির কোথাও নারীর বৈবাহিক জীবনে তার স্বামী কর্তৃক যদি ধর্ষিত হয়, তাহলে ধর্ষণ সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো আইনি পদক্ষেপ ওই নারী নিতে পারেন না। এছাড়া সামাজিকতার প্রেক্ষাপটে কখনো এ বিষয়টা নিয়ে জনসম্মুখে আসতেও পারেন না তিনি।

 

গবেষণায় তথ্য উঠে এসেছে, এ বছর দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ২৭ জেলাতেই বৈবাহিক ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। জাতিসংঘ হিউম্যান রাইটস কমিশন ১৯৯৩ সালে বৈবাহিক ধর্ষণ, অর্থাৎ ম্যারিটাল রেপকে মানবাধিকার লংঘন হিসেবে উল্লেখ করেছে। এ পর্যন্ত প্রায় ১৫০টি দেশের বৈবাহিক ধর্ষণকে অপরাধী হিসেবে বিবেচনা করে আইন রয়েছে। কিন্তু এই একবিংশ শতাব্দীতে এসেও বাংলাদেশে বৈবাহিক ধর্ষণ সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো আইনি বা শাস্তির কথা উল্লেখ নেই।

দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী বৈবাহিক সম্পর্ক নেই এমন কোনো ব্যক্তি ধর্ষণ করলে তার শাস্তির বিধান থাকলেও পারিবারিক নির্যাতনের মাধ্যমে যে নারীরা ধর্ষণের শিকার হচ্ছেন, তাদের জন্য আইনের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আইন সংশোধন এখন সময়ের দাবি বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

© All rights reserved